একটা ফাংশোনাল সোসাইটি তে ব্যাটম্যান পসিবল না। ফ্যান্টাসীতেও না, জেমস বন্ড একা ফাংশনাল না, তার পিছনে একটা পুরা দেশের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি, বিলিওন বিলিওন ডলার ফান্ড থাকে, তাই না? ব্যাটম্যান? তার কপাল ভালো যে তার প্রতিটা গ্যাজেট কাজ করে, পিছনে থাকেন কোন একটা হাইলী প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং টিম, যাদের কেউ ব্যাটমোবিলে একটা স্ক্রু ভুল লাগাইলেই ব্যাটম্যান পকাত। আয়রনম্যান? টনি স্টার্ক জিনিয়াস, বাট তিনি তার স্যুটের ডিসপ্লে বানান না, জারভিস রান করতে যে প্রসেসিং পাওয়ার দরকার, সেটার জন্য দুনিয়ার কোথাও কেউ একজন বালু তুলতেছে সিলিকন চিপের জন্য। জন উইক? সে এক্স স্পেশাল ফোর্স, তার পিছনে, তার ট্রেনিং এ একটা সরকার কত স্পেন্ড করছে কেউ জানে না।
একটা সোসাইটিতে লন উলফ হইতে চেষ্টা করাটা প্রকৃতির নিয়মের বাইরে। নেকড়ে দের কথাই ধরা যাক। একটা নেকড়ের পালে প্রোপার বয়স হবার পর কোন মেল যদি আলফা কে চ্যালেঞ্জ করে এন্ড হেরে যায়, তাকে পাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। এইটাই লন উলফ, একা। সমস্যা হচ্ছে একা সে বড় শিকার করতে অক্ষম, অন্য কোন পালে যেয়েও যায়গা পাবে না। একমাত্র উপায় অন্য কোন পাল থেকে কাউকে সংগীনী হিসেবে নিয়ে নিজের পাল শুরু করা। ১০ টায় একটা নেকড়ে হয়তো এটা করতে পারার জন্য বেচে থাকে। অন্য ৯ জন আইদার না খেয়ে মরে, নাহলে অন্য পালের আক্রমনে। যে বেচে থাকলো সংগীনী সহ, সেও একা থাকলো না।
ওয়েল, মানুষ এডভান্স। সে অন্যদের প্রভাইড করা “থিংস” নিয়ে বনে জংগলে যেয়ে বেচে থেকে একা টিকে আছে দাবী করতে পারে। ব্যাপার টা, আল্লাহ মুখ দিছে, তাই কইছি হয়ে যায়। ২০২৬ সালে একা একজন মানুষ একটা সিম্পল টুল, একটা গায়ে দেয়ার কাপড় বানাইতে অক্ষম। শিকার করার মত যায়গায় যেয়ে থাকলে সে নিজেই খাবার হয়ে যাবে, ঐ ইকোসিস্টেমে, আমাদের সুন্দরবনেই ধরেন, এপেক্স প্রিডেটর রয়েল ব্যাংগল টাইগার। অস্ত্র নিয়ে যাবেন? বেস্ট অফ লাক, ওটার পিস্টন বানাইছে এক দেশ, ব্যারেল আরেক দেশ, বুলেট আরেক দেশ। এগুলার র মেটারিয়াল, মানে বিভিন্ন গ্রেডের মেটাল গুলা আবার ভিন্ন ভিন্ন দেশের মাইন থেকে তোলা।
তো, মুল বক্তব্য হইলো একসাথে থাকা উত্তম। স্বিকার না করলেও আপনি যেহেতু বাধ্য, সো আপনি একটা কমিউনিটির সাথে থাকেন, থাকতে বাধ্য বিকজ আপনার বেসিক নিড, খাবার ও আপনি প্রডিউস করতে অক্ষম। বীজ, সার ও আপনাকে কিনে আনা লাগবে। কমিউনিটিতে থাকা মানে আবার কমিউনিজম না। মার্ক্স ওয়াজ রং, উনি হিউম্যান ফ্যাক্টর টা ধরেন ই নাই তার ইকুয়েশনে। হিউম্যানিটির ডিপ ডিজায়ার ফর ভায়োলেন্স ধরেন নাই।
মানুষ একটা ভায়োলেন্ট প্রানী। ম্যাক্সিমাম ম্যামেল রা প্রয়োজন ছাড়া ভায়োলেন্স এর দিকে আগায় না। মানুষ ভায়োলেন্স ছাড়া টিকে থাকতেই অক্ষম, তার কন্টিনিউয়াস ভায়োলেন্স লাগে। সেটা ভিন্নমতের কারো বিরুদ্ধে হোক, বা কোন একটা সিম্পল আইডিয়ার বিরুদ্ধে হোক। সহজ কথায় হোমো স্যাপিয়েন্স দের টিকে থাকতে ভালোবাসা যেমন দরকার, ভায়োলেন্স ও তেমন দরকার। বাইনারী, ওয়ান অর জিরো। বাইরের শত্রু না পাইলে মানুষ নিজের দিকে তাকায়, নিজের সাথেই নিজে ভায়োলেন্ট কার্যকলাপ শুরু করে।
যেহেতু মানুষের ঘৃনা দরকার, রাষ্ট্রযন্ত্র বা সমাজ বা ট্রাইব নিজের অজান্তেই হয়তো শত্রু বানায়। একটা ট্রাইব আরেকটাকে ঘৃনা করে, একটা ধর্ম আরেকটা কে। শত্রু হতে পারে কোন জনগোষ্টি, হতে পারে একটা দেশ, হতে পারে একটা আইডিয়া। আপনার সার্ভাইভ করার জন্য এই কালেক্টিভ ঘৃনাতে পার্টিসিপেট করা জরুরী। এর বাইরে গেলে, কালেক্টিভ থেকে বেরিয়ে গেলে এই সিস্টেমের অংশ আপনি না।
ফলাফল ইন্ডিভিজুয়াল হেট, আপনি শত্রু বানানো শুরু করেন। মাথার ভিতরে থাকা শত্রু, যারা রিয়েল লাইফে মেবি এক্সিস্ট ই করে না। না আপনি ইউনিভার্সের কেন্দ্রে না, এন্ড দুনিয়ার কেউ আপনাকে নিয়ে ভাবতেছেই না। রাস্তায় যে লোক টা আপনার সাথে ধাক্কা লাগছে, সে আপনাকে কয়েক সেকেন্ড পর ভুলে যাবে, তার ঘর সংসার আছে ভাই।
শত্রু বানানোর মত কিছু খুজে না পাইলে আপনি সেলফ ড্যামেজ শুরু করেন। এইটার বিভিন্ন ফর্ম আছে, কেউ স্যাডিস্টিক হয়ে যান। কেউ দুঃখী থাকাকে রোমান্টিসাইজ করা শুরু করেন, কেউ নিজেকে আন এলাইভ করে ফেলতে পারেন, কেউ সাবসটেন্স এবিউজ শুরু করেন, কেউ সেলফ হার্ম শুরু করেন। এর মধ্যে একটাও আইডিয়াল না।
মডার্ন ওয়ে অফ লাইফে আমাকে সবথেকে বেশী ভাবায় জেন জি আর আলফা রা। এরা একা, মোস্টলী এভারেজে এরা বাইরে কম সময় স্পেন্ড করে, এদের সার্কেল মিলেনিয়াল বা বেবিবুমারদের থেকে অনেক ছোট। এরা স্লোলি কালেকটিভ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। একা থাকাকে রোমান্টিসাইজ করা হচ্ছে এদের কাছে, যেটা ড্যাঞ্জারাস।
যা করা উচিত তা আরেকটা বিশাল লেখা। শুরুতে আপনি মোরাল পুলিসিং অফ করতে পারেন, বাচ্চাদের বড় হতে মানুষের সাথে মেষা লাগবে, মানুষ কে বুঝতে হবে। এদের মিষতে দেন, প্রেম করতে দেন, নাহলে বিপরীত লিংগকে বুঝবেই না। তা না করে আপনি পাবলিক পার্ক গুলোতে রেইড দিতেছেন। ওয়েল, ডেটিং প্লেস হিসেবে ইউজ করা পার্কে তো আপনি মোরাল পুলিসিং করতেছেন ই, অনেক যায়গায় পার্ক সরায় বিল্ডিং তুলতেছেন।
থার্ড স্পেস বাড়ান। অফিস/ভার্সিটি আর বাসার বাইরে থার্ড স্পেস দেন। কফিশপ হোক, পার্ক হোক, ক্লাব হোক, বা বার। মানুষ কে একটা থার্ড স্পেস দেন যেখানে যেয়ে সে নিউদের সাথে মিষতে পারবে। কালেক্টিভে পার্টিসিপেট করতে পারবে, ইন্টারনেট কোনদিন ই এইটার রিপ্লেসমেন্ট হবার কথা ছিলো না। একটা ডিসপ্লে, কোড, এলগরিদম কখনোই মানুষের রিপ্লেসমেন্ট হবার কথা ছিলো না, আমরা চাই নাই। ফলাফল চোখের সামনে দেখতেছি, ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন, এনাক্সাইটি, ADHD। নিউয়ার জেনারেশন দের ধৈর্য পরীক্ষা করে দেখছেন? কিছুই না করে তাকে ৩০ মিনিট বসে থাকতে বলে দেখেন, পারবে না। এদের বাচান

